০৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করলো যুক্তরাষ্ট্র

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ মে ২০২৩
  • / ১৯৯৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পশ্চিম তীরের এক ফাঁড়িতে ইহুদিদের স্থায়ী বসতি গড়ার সুযোগ দেয়ায় রোববার ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ হোমেস নামের ঐ ফাঁড়িতে এমন সিদ্ধান্ত না নিতে অতীতে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র৷

‘দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল’ পত্রিকা জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান বৃহস্পতিবার এক আদেশে সই করেন৷ এতে ইসরায়েলিদের হোমেস ফাঁড়িতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়৷ এবং এর মাধ্যমে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বসতি নির্মাণের সুযোগ দেয়া হলো বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি৷

ফিলিস্তিনের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় এমন সিদ্ধান্ত না নিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলকে বারবার অনুরোধ করেছে৷ বিশেষ করে হোমেস ফাঁড়িতে কিছু না করতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল৷

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হোমেস ফাঁড়িতে স্থায়ী বসতি নির্মাণের অনুমতি দেয়া সংক্রান্ত ইসরায়েল সরকারের আদেশে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন৷ ইসরায়েলের আইন অনুযায়ী ঐ এলাকাটি ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমিতে গড়ে উঠেছে৷”

তিনি বলেন, ঐ আদেশ ২০০৪ সালে ইসরায়েল সরকারের করা অঙ্গীকার এবং অতি সম্প্রতি বাইডেন প্রশাসনের কাছে করা অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ৷

এই বিষয়ে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের দূতাবাসের কাছে জানতে চাইলে এখনও উত্তর পাওয়া যায়নি৷

তবে ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ঐ আদেশের উদ্দেশ্য হোমেসে থাকা একটি ধর্মীয় স্কুলে ইসরায়েলিদের যাওয়ার অনুমতি দেয়া৷ ঐ জায়গাটি নতুন করে গড়ে তোলার কোনো ইচ্ছা ইসরায়েল সরকারের নেই বলে জানান তিনি৷ এছাড়া ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তিগত ভূমিতে ইসরায়েলিদের থাকতে দেয়ার অনুমতি দেয়ারও ইচ্ছা নেই বলে জানান ইসরায়েলি ঐ কর্মকর্তা৷

এদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইটামার বেন গেভির রোববার আল আকসা মসজিদে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘এর দায়িত্বে’ এখন ইসরায়েল৷

এমন ‘উসকানিমূলক সফর’ এবং ‘সেই সঙ্গে উত্তেজনামূলক বক্তব্য’ নিয়েও ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন বলে জানান মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিলার৷

ডয়চে ভেলে

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ মে ২০২৩

পশ্চিম তীরের এক ফাঁড়িতে ইহুদিদের স্থায়ী বসতি গড়ার সুযোগ দেয়ায় রোববার ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ হোমেস নামের ঐ ফাঁড়িতে এমন সিদ্ধান্ত না নিতে অতীতে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র৷

‘দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল’ পত্রিকা জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান বৃহস্পতিবার এক আদেশে সই করেন৷ এতে ইসরায়েলিদের হোমেস ফাঁড়িতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়৷ এবং এর মাধ্যমে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বসতি নির্মাণের সুযোগ দেয়া হলো বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি৷

ফিলিস্তিনের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় এমন সিদ্ধান্ত না নিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলকে বারবার অনুরোধ করেছে৷ বিশেষ করে হোমেস ফাঁড়িতে কিছু না করতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল৷

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হোমেস ফাঁড়িতে স্থায়ী বসতি নির্মাণের অনুমতি দেয়া সংক্রান্ত ইসরায়েল সরকারের আদেশে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন৷ ইসরায়েলের আইন অনুযায়ী ঐ এলাকাটি ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমিতে গড়ে উঠেছে৷”

তিনি বলেন, ঐ আদেশ ২০০৪ সালে ইসরায়েল সরকারের করা অঙ্গীকার এবং অতি সম্প্রতি বাইডেন প্রশাসনের কাছে করা অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ৷

এই বিষয়ে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের দূতাবাসের কাছে জানতে চাইলে এখনও উত্তর পাওয়া যায়নি৷

তবে ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ঐ আদেশের উদ্দেশ্য হোমেসে থাকা একটি ধর্মীয় স্কুলে ইসরায়েলিদের যাওয়ার অনুমতি দেয়া৷ ঐ জায়গাটি নতুন করে গড়ে তোলার কোনো ইচ্ছা ইসরায়েল সরকারের নেই বলে জানান তিনি৷ এছাড়া ফিলিস্তিনিদের ব্যক্তিগত ভূমিতে ইসরায়েলিদের থাকতে দেয়ার অনুমতি দেয়ারও ইচ্ছা নেই বলে জানান ইসরায়েলি ঐ কর্মকর্তা৷

এদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইটামার বেন গেভির রোববার আল আকসা মসজিদে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘এর দায়িত্বে’ এখন ইসরায়েল৷

এমন ‘উসকানিমূলক সফর’ এবং ‘সেই সঙ্গে উত্তেজনামূলক বক্তব্য’ নিয়েও ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন বলে জানান মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিলার৷

ডয়চে ভেলে