আশুলিয়ায় আ’লীগের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অর্থদাতা যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৭১১ বার পড়া হয়েছে
আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ও থানা যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ইন্টারনেট মিলনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত শিক্ষার্থী হত্যা ও সহিংসতার ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এত গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার না করায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলা সংশ্লিষ্টদের দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আশুলিয়ায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় একাধিক শিক্ষার্থী নিহত হন। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোতে যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলনের নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবুও তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নামে সংঘটিত বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড—মশাল মিছিল, অগ্নিসংযোগ এবং সহিংস কর্মসূচির পেছনেও এই যুবলীগ নেতা অর্থদাতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতা-কর্মীর জামিন নিশ্চিত করতেও তিনি তৎপর ছিলেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা বলছেন, সাধারণ মানুষ সামান্য ঘটনায় দ্রুত গ্রেফতার হলেও হত্যা ও নাশকতার মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত প্রভাবশালীরা যদি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন, তাহলে আইনের সমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তাদের ভাষায়, তবে কি কেউ আইনের ঊর্ধ্বে? নাকি কোনো অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় তদন্ত ও গ্রেফতার প্রক্রিয়া থমকে আছে?
অভিযোগের বিষয়ে যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলন বলেন, আপনারা সবই জানেন, আমি কি এরকম ক্ষতি করেছি ভাই আপনাদের, আমি কোন যুবলীগ নেতা ছিলাম না, আর আমার বিরুদ্ধে কোন মামলাও নেই।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ যুবলীগ নেতা ইন্টারনেট মিলনের ব্যাপারে ব্যাপক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।









