২১ লাখের বেশি উপকূলীয় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া সম্ভব হয়েছে

0

এবারই ঘূর্ণিঝড়ের আগে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২১ লাখের বেশি উপকূলীয় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, সুন্দরবনের মধ্যদিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশে প্রবেশ করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে। দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। এরই মধ্যে বুলবুলের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিকেশ শুরু হয়েছে। বুলবুলের আঘাত পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে, ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্যাদি তুলে ধরেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি দাবি করেন, আঘাত হানার আগেই সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের কারণে ঘুর্নিঝড়ের শক্তি কমে গেছে। তাই সুন্দরবনকে কিভাবে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে শিগগির আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক জানান, বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো খুলনার কয়রায়; ঘণ্টায় ৯৩ কিলোমিটার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন