স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় রাজশাহীর আতঙ্কের নাম ছিল টিপু রাজাকার

0

মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় রাজশাহীর মুক্তিকামী মানুষের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ছিল টিপু রাজাকার। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে পাক সেনাদের তুলে দেয়াই কাজ ছিল আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু রাজারের। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। ৫০ বছর পর স্বজন হারানোর সর্বোচ্চ বিচার পেয়ে খুশি শহীদ পরিরারের সন্তানেরা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে স্থানীয় যে রাজাকাররা গণহত্যা চালিয়েছিল, তাদের মধ্যে টিপু রাজাকার অন্যতম। রাজশাহীর আওয়ামী লীগ নেতা বাবর মণ্ডল, চান মোহাম্মদ মিয়া, শফি উদ্দিন ও আফিলউদ্দিনসহ অন্তত ১৩জনকে ধরে নিয়ে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে সেনা ক্যাম্পে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেয়া হয়।

অর্ধশতাব্দীর বেদনা বুকে চেপে রেখেছেন অনেকেই। সেই বুকচাপা আতর্নাদে আজো চোখের পাতা ভিজে শহীদসন্তানদের।

নানা প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল টিপু রাজাকারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়ায় সন্তুষ্টি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদও।

এর আগে ১৯৭৪ সালের ১০ আগস্ট টিপু সুলতানকে গ্রেপ্তার করা হলেও, পরে তিনি ছাড়া পেয়ে যান। তবে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি বিস্ফোরক আইনের এক মামলায় নগরীর মতিহার থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন