স্কেল হয়রানির কারণে অচল হতে বসেছে চট্টগ্রাম বন্দর

0

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্কেলের নামে হয়রানির কারণে এবার অচল হতে বসেছে চট্টগ্রাম বন্দর। ওজন পরিমাপের নামে পণ্যপরিবহণে বাঁধা দেয়ায়, গত সাত দিন ধরে ৪০ ফুটের কোন কন্টেইনার বের হচ্ছেনা টার্মিনাল থেকে। ফলে বন্দরে ভয়াবহ কন্টেইনার জটের আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা। উপায়ন্তর না পেয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। আর মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে পার পেতে চাইলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী।

১৮টি অফডকসহ চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার ডিপো থেকে প্রতিদিন অন্তত তিন হাজার পণ্যভর্তি কন্টেইনার সরবরাহ হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে। এর মধ্যে দু’হাজারেরও বেশি ৪০ ফুটের কন্টেইনার।যার প্রধান রুট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। জাহাজীকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী ৪০ ফুটের কন্টেইনারে সাধারণত ৩০ টন পণ্য লোড করা হয়। গাড়িসহ যার ওজন দাঁড়ায় ৪৫ টন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড আর দাউদকান্দীতে যানবাহনের ওজন পরিমাপের জন্য স্থাপিত স্কেল সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে ৪০ টনে বেঁধে দিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এতে স্থবিরতা নেমে এসেছে বন্দরে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক নিয়মের কথা।

আর এ স্কেল হয়রানির অভিযোগ করে, ওজন মাপার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন, পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী যানবাহনে ওজনের সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশের অন্য এলাকায় তা নেই। স্কেলের কারণে ভোগান্তির কথা স্বীকার করলেও, সব দায় মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপালেন কর্মকর্তা।

ইতোমধ্যে স্কেলে ওজন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত স্থগিতের আবেদন জানিয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। এই স্কেল দুটিই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজটের মুল কারণ হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।