সুনামগঞ্জের ১১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত

0

মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা, ধর্ষণসহ সুনির্দিষ্ট চার অভিযোগে সুনামগঞ্জের ১১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। অভিযুক্ত আসামীদের ৬ আটক থাকলেও ৫ জন এখনো পলাতক রয়েছে। তবে আটক আসামী জুবায়ের মনির জামায়াত নেতা শিশির মনিরের চাচাতো ভাই এবং দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্র দুতাবাস নিয়মিতভাবে জুবায়েরের খোঁজ রাখছে। বিকেলে ধানমণ্ডি কার্যালয়ে তদন্ত সংস্থার ৭১তম প্রতিবেদনে এমন সব তথ্য তুলে ধরেন তদন্ত সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা।

৪ঠা ডিসেম্বর ১৯৭১। স্বাধীনতার উষালগ্নে পরাজয় নিশ্চিত জেনে সুনামগঞ্জের দৌলতপুর এবং এর আশেপাশের এলাকায় নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি সেনারা। অভিযোগ আছে হানাদারদের পৈশাচিক ওই ধ্বংসযজ্ঞের নেপথ্য শক্তি হিসেবে কাজ করে এদেশীয় বিশ্বাসঘাতক বেশকিছু রাজাকার এবং আলবদর।

একাত্তরের ওই বিশ্বাসঘাতকদের বিচারের আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ৭১তম প্রতিবেদন এটি। যেখানে জানানো হয়– জুবায়ের মনির, জাকির হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, তোতা মিয়া, আব্দুল জলিল, আব্দুর রশিদসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ৪টি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

তদন্ত কর্মকর্তারা দাবী করেন, অভিযুক্তদের ৫ জন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এছাড়া আটক মোহাম্মদ জুবায়ের মনির সাবেক শিবির সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের চাচাতো ভাই এবং তিনি মার্কিন নাগরিক।

পলাতকদের দ্রুত গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি সোমবারই এই প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটরের হাতে তুলে দেয়া হবে বলেও জানান তদন্ত সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন