শ্রমিক নির্যাতন ও ভাংচুরের ঘটনায় উল্টো দু’শ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা

0

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের ওজন স্কেলে শ্রমিক নির্যাতন ও ভাংচুরের ঘটনায় উল্টো দু’শ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এতে আতঙ্কিত এই মহাসড়কে চলাচল করা পণ্য পরিবহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাধারণ শ্রমিক-কর্মচারিরা। তবে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করলে– সারাদেশ অচল করে দেয়ার ঘোষণাও দেন শ্রমিক নেতারা। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, মহাসড়কে ওজন স্কেল বন্ধ না করলে– এমন নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় দরগারহাট, দাউদকান্দি ও মেঘনার চারটি ওজন স্কেলে পরিবহণ শ্রমিকদের অযথা হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দেশের সবচে’ গুরুত্বপুর্ণ এই মহাসড়কে লেগে থাকা দীর্ঘ যানজটেরও অন্যতম কারণ এই ওজন স্কেল। তাই পরিবহণ শ্রমিকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ।

গেল ১৯ মে এভাবেই এ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বড় দরগারহাট স্কেলে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা এক চালকের ওপর হামলা করেছে এমন খবরে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে জনতা। ভাংচুর চালায় নিয়ন্ত্রণ অফিসে। এই ঘটনায় দু’শ জনের নামে মামলা হয়েছে। তবে সাধারণ শ্রমিকদের হয়রানি করা হলে দেশ অচল করে দেয়ার হুঁশিয়ারি শ্রমিক নেতাদের।

আর, দুর্ভোগ এড়াতে মহাসড়কের পরিবর্তে বন্দরের গেটে স্কেল স্থাপনের পরামর্শ ব্যবসায়ী নেতাদের। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দাবি, মহাসড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে স্কেল কার্যকরের বিকল্প নেই। শ্রমিক ইউনিয়নের হিসেবে স্কেল পরিচালনায় দায়িত্বে থাকা আনসার ও ভাড়াটিয়া মাস্তানদের হামলায় গেল দুই বছরে এক হাজার চালক ও হেলপার আহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কমপক্ষে দু’হাজার যানবাহন। এসব ঘটনায় মামলা হলেও, পরিবহণ ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার পায়নি নির্যাতিতরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন