শেরপুরে আখ চাষে বিপ্লব শুরু হয়েছে

0

শেরপুরে আখ চাষে বিপ্লব শুরু হয়েছে। ধানের চেয়ে আখ চাষ লাভজনক হওয়ায়, প্রতি বছরই আখ চাষের আওতায় আসছে নতুন নতুন জমি। এক সময় জেলার দু’টি উপজেলায় স্বল্প পরিসরে আখ চাষ হলেও এখন সীমান্ত ঘেঁষা তিনটি উপজেলার পাহাড়ি বিস্তীর্ণ পতিত জমিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আখ চাষ হচ্ছে। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

এক সময় শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় অল্প পরিসরে আখ চাষ হতো। যা দিয়ে মিটতো না আখের স্থানীয় চাহিদা। এমন বাস্তবতায় গত চার বছর ধরে সীমান্ত ঘেঁষা নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর পাহাড়ি অঞ্চলের অর্ধশতাধিক গ্রামের কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে ছোট পরিসরে শুরু করেন আখ চাষ। অল্প পূঁজি আর শ্রমে বছর ঘুরতেই আশাতিত ফলন পান চাষিরা। উৎপাদন খরচের হিসাবে ধানের চেয়ে আখ চাষ লাভজনক হওয়ায়– বেড়েই চলেছে চাষাবাদ। আখের ব্যবসা করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও পেয়েছেন স্বচ্ছলতা।

রবি ও খরিব জাতের ১২ হাত উচ্চতার আখ প্রতি বিঘায় উৎপাদন হয় ১৬ মণ করে। সেই হিসাবে এবার পাঁচ হাজার মেট্রিক টনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আর প্রতিমণ আখ বিক্রি হচ্ছে ৯শ’ টাকা দরে। কম দামে আখ কিনতে পেরে খুশি স্থানীয় ক্রেতারা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় এবার ৯শ’ ২৫ বিঘা জমিতে আখ চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন