শুষ্ক মৌসুম শুরুতেই শুকিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদী

0

শুষ্ক মৌসুম শুরুতেই শুকিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদী। পানির অভাবে দীর্ঘ এলাকা জুড়ে জেগে উঠছে চর। ভাটির দিকে তিস্তা ব্যারাজ থেকে ৮৪ কিলোমিটার দক্ষিণে আর তিস্তা সেতু থেকে চিলমারী পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার এলাকায় নদীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন।

তিস্তা ব্যারাজের ৭০ কিলোমিটার-ভারত গজলডোবা বাঁধ দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে। এরপর যেটুকু পানি পাওয়া যাচ্ছে তা ব্যবহৃত হচ্ছে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে সেচের জন্য । ফলে ভাটির দিকে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার তিস্তা পাড়ের বিদ্যানন্দ, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, দলদলিয়া, থেতরাই, গুনাইগাছ, বজরা ও থানাহাট-এই ৭ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের হাজারো মানুষ।

ধারাবাহিকভাবে তিস্তার পানি প্রত্যাহার হলে মরুকরণের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এদিকে তিস্তা রেলওয়ে সেতু থেকে চিলমারী পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার খননের জন্য দু’টি প্রকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে জানালেন স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন