শীতের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা

0

শীতের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় শাল ও চাদর প্রস্তুতকারী তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা। বিগত তিন বছর শীত কম থাকায় বিপুল সংখ্যক চাদর অবিক্রিত থাকায়, লোকসানের মুখে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক তাঁত। পরিস্থিতি উত্তরণে ঋণ সুবিধার দাবি জানিয়েছেন তাঁত মালিকরা।

দেশের গ্রামীণ জনপদে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। আর তাইতো শীত নিরারণের উপকরণ শাল ও চাদর তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাথুলী সাদী এলাকার তাঁত মালিক ও শ্রমিকরা। মনিপুরি, পাট্টা, হাই চয়েস, নয়ন তারা, ফ্লক প্রিন্টসহ ২৫ রকম ডিজাইনের শাল ও চাদর তৈরি করছেন তাঁতীরা। । কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে টানা কাজ।

শীতের আগে কাজের চাপ বেশি থাকলেও, বছরের অন্য সময় তাদের অলসভাবে কাটাতে হয়। মহাজন চাদর বিক্রি করতে পারে না। তাই আমাদের ঠিক মতো বেতনও দেয় না। টানা তিন বছর ধরে শীতের তীব্রতা কম থাকায়, মজুদকৃত চাদরই বিক্রি করতে পারছেন না তাঁত মালিকরা। ফলে টানা লোকসানের মুখে অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় তাঁত বোর্ডকে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেয়ার আহ্বান জানান তারা।

তাঁতীদের লোকসানের কথা স্বীকার করে টাঙ্গাইল তাঁত বোর্ডের লিয়াজো অফিসার জানান, চাদরের পাশাপাশি শাড়ি ও থ্রী পিস প্রস্তুত করলে তাদের আর লোকসান গুণতে হবে না। চলতি বছর চার লাখ পিচ শাল ও চাদর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাসাইলের তাতীরা; এরই মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ বিক্রি হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন