দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ দ্বার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথের শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৬ শতাধিক যানবাহন। পার হতে না পেরে চালক ও শ্রমিকদের ঈদ কাটলো মহাসড়ক এবং ফেরি ঘাটে।

ফেরী পার হতে এসে প্রায় ৫ থেকে ৬ দিন ধরে মহাসড়কে গাড়িসহ অবস্থান করছেন অসংখ্য চালক হেলপার এবং শ্রমিক। কবে নাগাদ ফেরী পার হতে পারবেন তা জানে না তারা। আটকে পড়াদের অভিযোগ, কতিপয় পুলিশ ও টিসির লোকদের টাকা দিলেই মিলে যাচ্ছে ফেরি পারাপারের সিরিয়াল। তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে জানতে বিআইডব্লিউটিসির এজিএম ও ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তবে ঘাটে দায়িত্বরত টিআই জিয়াউর রহমান, বলেন গত কদিন ধরেই অসংখ্য যাননাহনের চাপ রয়েছে ঘাটে। বর্তমানে রোরো, কেটাইপ, ঠেলা, মিডিয়ামসহ মোট ১৬টি ফেরী চলাচল করলেও ঘাট এবং মহাসড়কে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৬ শতাধিক যানবাহন। আর এ যানবাহনের সারি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেস ওয়ের শ্রীনগরের ছনবাড়ী পর্যম্ত যানজট লেগে আছে। নদী পার হতে লঞ্চগুলোতেও রয়েছে যত্রীদের চাপ।