রোড মার্কিং না থাকায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা

0

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীর বিভিন্ন জায়গায় রোড ডিভাইডার বা আইল্যান্ড ভেঙে যাওয়ায় এবং রোড মার্কিং না থাকায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। অস্পষ্ট রোড মার্কিং, অপরিকল্পিত সিগন্যাল সাইন, নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে ওভারটেকিং বড় দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এসব দূর্ঘটনায় প্রায়ই নিহত হচ্ছে যাত্রী,পথচারী সহ শিশুরাও। তাই মহসড়কের এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের দাবী স্থানীয়দের।

নরসিংদী হাইওয়ে পুলিশ ও বিভিন্ন থানার হিসেবে ২০১৭ সালে নরসিংদীর কান্দাইল থেকে মরজাল পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৪২ জন। এ সব দূর্ঘটনায় মামলা হয়েছে ২৬টি। আর গত ৫বছরে মহসড়কে নিহত হয়েছে ১৪০ জন। এছাড়া অনেক দুর্ঘটনায় কোন মামলাই হয়নি। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগই পথচারী, বাকী ৩০ ভাগ যাত্রী ও চালক। ঢাকার সঙ্গে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও ভারতের ত্রিপুরারও যোগাযোগ এ মহাসড়ক দিয়ে । প্রতিদিনই এই সড়ক দিয়ে ছুটছে হাজারো যানবাহন। তবে এই মহাসড়কটি প্রশস্তে কম হওয়ার পাশাপাশি অপরিকল্পিত রোড ডিভাইডার, ভাঙা রোড ডিভাইডার, অস্পষ্ট রোড মার্কিং ও নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে ওভারটেকিং এর ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। শুধু তাই নয় সড়কের পাশে লাগানো গতিসীমাও মানছে না কোন গাড়ির চালক।

এই মহাসড়কে ব্লাইন্ড টার্নিং বা অন্ধ বাঁক রয়েছে প্রায় ১৫টি। এই স্থানগুলোতে এক পাশ থেকে অন্য পাশের যানবাহন দেখতে না পারায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। তবে চালকদের অদক্ষতা, উদাসীনতা ও নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে গাড়ি চালানো, সড়ক দূর্ঘটনার কারণ বলে মনে করে হাইওয়ে পুলিশ।

মহাসড়কের কিছু কিছু জায়গায় রোড মার্কিং মুছে যাওয়া ও রোড ডিভাইডার ভাঙার কথা স্বীকার করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ । নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, শীঘ্রই এ মহাসড়কে ৪ লেনের কাজ শুরু হবে বলে । দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে সঠিক তদারকিসহ অতি দ্রুত মহাসড়কটিকে ৪ লেনে উন্নীত করার দাবি স্থানীয়দের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন