রাষ্ট্র চাইলে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে নিম্ন আদালতের বিচার প্রক্রিয়া দু’ মাসের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব

0

রাষ্ট্র চাইলে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে নিম্ন আদালতের বিচার প্রক্রিয়া দু’ মাসের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব। এমনটি মনে করেন মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা হত্যার সাহস পায়। এদিকে, মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালমা আলীর মতে, এই হত্যার পুরো বিচার প্রক্রিয়া ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব। তবে রাজনৈতিক প্রভাব বিচার শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা হিসেবে কাজ করে বলেও মনে করেন তিনি।

১৯৯৫ সালে দিনাজপুরে ধর্ষণের পর ইয়াসমিন হত্যাকান্ড পুরো দেশের বিবেককে নাড়া দিয়েছিলো। সব মহলের সোচ্চার অবস্থানের কারণে ২০০৪ সালে অপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর হয়। এরপর সিলেটের খাদিজা কিংবা কুমিল্লার তনু হত্যাকান্ড। এমন বেশ কিছু লোমহর্ষক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে কোনো কোনোটির বিচার হলেও ঝুঁলে আছে অনেক হত্যাকান্ডের বিচার।

সবশেষ ফেনিতে নুসরাতকে যৌন হয়রানি ও কেরোনি ঢেলে ইগুনে পুড়িয়ে হত্যা ঘটনায় আবারো তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে গোটা দেশে।মানবাধিকার আইনজীবী সালমা আলীর মতে, সুশাসনের অভাবের কারণেই বারবার এমন ঘটনা। নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ না হলে এমন ঘটনা আবারো ঘটতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। এদিকে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যানের পর্যবেক্ষণ, ফেনীতে নূসরাতের পরিবারের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের কারণে। তাই তাদের নিষ্ক্রিয়তার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তবে তাদের মতে, নূসরাত হত্যাকান্ডে মামলার আলামত পুরোপুরি স্পষ্ট। তাই রাষ্ট্র চাইলে এ হত্যার চার্জশিট ও বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব। নূসরাত হত্যার বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন আগামি এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ হবে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, প্রয়োজনে এ মামলায় কমিশনের পক্ষ থেকেও আইনি সহায়তা দেয়া হবে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন