রাত যত গভীর হয়, ততই বাড়তে থাকে সেনাদের গোলাগুলির শব্দ

0

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রাইফেলের নলের মুখে দিন কাটছে প্রায় সাত হাজার রোহিঙ্গার। বান্দরবানের তম্রু নোম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রয় নেয়া এই রোহিঙ্গারা জানায়, রাত যত গভীর হয়, ততই বাড়তে থাকে মিয়ানমার সেনাদের গোলাগুলির শব্দ। মিয়ানমার সেনাদের পৈশাচিক নির্যাতনের ভয়ে, রাতে চোখের পাতা এক করতে পারে না নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারীরা। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি জানায়, সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত আছে তারা।

নো-ম্যান্স ল্যাণ্ডে রোহিঙ্গা আশ্রয়-শিবিরের একশো গজ দূরেই, সশস্ত্র মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এমন অবস্থান। প্রতি দু’ঘন্টা পরপর উত্তেজিত অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে অবস্থান বদলায় তারা। আর সশস্ত্র যানবাহনের টহল, রাতে বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

এই তম্রু খালের অর্ধেকটা বাংলাদেশের। তার ওপারে নোম্যান্স ল্যাণ্ডে আশ্রয় নেয়া প্রায় সাত হাজার রোহিঙ্গার জন্য নিয়মিত আন্তর্জাতিক ত্রাণের ব্যবস্থা থাকলেও, অভাব বিশুদ্ধ পানি আর নিত্যপণ্যের। কিন্তু মিয়ানমার সেনাবাহিনী সীমান্তে শক্তি বৃদ্ধি করায়, জীবন বাঁচাতে এখানে আশ্রয় নিয়ে এখন পুরো জীবনই তাদের ঝুঁকির মধ্যে।

গভীর রাতে রোহিঙ্গা ডেরার পাশে বর্বর সেনাদের চলাফেরায়, নির্যাতনের ভয়ে শংকিত রোহিঙ্গা নারীরাও।

তবে, বিজিবি’র এই কর্মকর্তা জানান, নোম্যান্স ল্যাণ্ডে আশ্রয় নেয়া এই রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা- আইওএম। এসব রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে সব ধরনের ঝুকি মোকাবেলার।

সীমান্তে মিয়ানমান সেনাদের তৎপরতা বাড়ায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে গিয়ে নোম্যান্স ল্যাণ্ডে আটকে পড়া রোহিঙ্গারা অন্য কোন ক্যাম্পে দ্রুত তাদের সরিয়ে নেবার দাবি জানিয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন