রাজশাহী বিভাগের প্রায় ১৫০ প্রাইমারি স্কুলের মাঠ বেদখল হয়ে গেছে

0

রাজশাহী বিভাগের প্রায় ১৫০ প্রাইমারি স্কুলের মাঠ বেদখল হয়ে গেছে । আর অনেক স্কুলে মাঠই নেই। ফলে স্কুলে চার দেয়ালের মাঝে এক রকম বন্দি অবস্থায় বেড়ে উঠছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। খেলাধূলা তো দূরের কথা সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও পাচ্ছে না তারা।  এতে পরস্পরের প্রতি সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধনও গড়ে উঠছে না।

শৈশবে স্কুল আঙিনায় খেলাধূলা, হইচই আর দুরন্তপনা- এক সময় ছিল পড়াশোনারই বড় অংশ। কিন্তু এখন নগরজীবনে সেই খুনশুটির নাগালই পায় না শিশুরা। মাঠ তো দূরের কথা অনেক স্কুলে নেই শারিরীক কসরতের মতো সামান্য জায়গাটুকুও। ফলে কখনো স্কুলের বারান্দায়, আবার  কখনো শ্রেণীকক্ষেই চলে সমাবেশ। আর খেলার ইচ্ছে হলে যেতে হয় বাইরের কোনো মাঠে।

প্রতিটি স্কুলই ৩৩শতক জমির ওপর হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে অনেক স্কুলেই তা নেই। এছাড়া, নওগাঁ জেলায় ৬০টি, নাটোরে ৩৫টি, বগুড়ায় ২৪টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২১টি, রাজশাহীতে ৬টি ও সিরাজগঞ্জের একটি স্কুলের জমি বেদখল হয়ে আছে। তবে নতুন করে স্কুলভবন নির্মাণ করা হলে নিচতলা পুরোটাই শিশুদের খেলার জন্য ফাঁকা রাখার কথা ভাবছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সকালে ক্লাস শুরুর আগে জাতীয় পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে সমাবেশ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ স্কুলে শ্রেণীকক্ষের মধ্যে বেঞ্চের ফাঁকে ফাঁকে দাঁড়িয়ে হচ্ছে সমাবেশ। শিক্ষকরা বলছেন, মাঠ না থাকায় শিশুদের যেমন খেলাধুলা হচ্ছে না, তেমনি মানসিক বিকাশও ঘটছে না। পাশাপাশি লঙ্ঘিত হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের মানবাধিকারও।

শেয়ার করুন।