রাজশাহী পাটকলে প্রায় তিন বছরের উৎপাদিত পাটজাত পণ্য পড়ে আছে গুদামে

0

রাজশাহী পাটকলে প্রায় তিন বছরের উৎপাদিত পাটজাত পণ্য পড়ে আছে গুদামে। কোনো বিক্রি নেই। এর পেছনে অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকেই দায়ী করা হচ্ছে। তবে এসব পণ্য দ্রুত বিক্রির উদ্যোগ নেয়া না হলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পাটকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা। যদিও এবিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ পাটকল কর্তৃপক্ষ।

২৬০ লুমের রাজশাহী পাটকলে প্রতিদিনের উৎপাদন ক্ষমতা ২১ দশমিক সাত আট মেট্রিক টন। এখানে মূলত তৈরি হয় চিকন ও মোটা বস্তা। প্রতি মেট্রিকটন চিকন বস্তা উৎপাদনে খরচ পড়ে দেড় লাখ টাকার কাছাকাছি। তবে মোটা বস্তা উৎপাদনে খরচ খানিকটা কম। দেশে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য বিক্রির প্রধান বাজার বহির্বিশ্ব। কিন্তু গেল কয়েক বছর ধরে সে বাজার হারাতে বসেছে বাংলাদেশ। রপ্তানিমুখী দেশগুলোতে নানা সংকট এখনো অব্যাহত থাকায় কমে গেছে চাহিদাও। এ কারণে পাটকলের গুদামে জমা পড়েছে উৎপাদিত পণ্যের স্তুপ।

২০১৬ সাল থেকে রাজশাহী পাটকলে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য জমা আছে। যা হিসাবের খাতায় ১০ হাজার বেল। কিন্তু উৎপাদিত এসব পণ্য বিক্রি করতে না পারায় হতাশায় পড়েছে পাটকল সংশ্লিষ্টরা। নতুন সরকার পাটজাত পণ্যের বাজার পুনরুদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে প্রত্যাশা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন নেতাদের। যদিও পাটকলের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে- এমন চিঠি দেখিয়ে ক্যামেরার সামনে আসতে চান নি রাষ্ট্রয়াত্ত্ব এই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প প্রধান- ইঞ্জিনিয়ার জিয়াউল হক।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন