রাজধানীতে বাড়ছে চিকুনগুনিয়া আতঙ্ক

0

রাজধানীতে দিন দিন বাড়ছে চিকুনগুনিয়া আতঙ্ক। তাই মশা নিধনে, প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ করছেন, সিটি করপোরেশনের বাড়তি দু’জন কর্মচারী। তবে যেভাবে মশক নিধন চলছে, তাতে সন্তুষ্ট নয় নগরবাসী। এদিকে, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের জিম্মি করে– একশ্রেনীর অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর মশা নিয়ন্ত্রণে– সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা নিয়ে বাতেন বিপ্লবের দু’পর্বের ধারাবাহিকের দেখুন প্রথমটি।

মশা মারতে কামান দাগা। এই প্রবাদ বাক্যই বলে দেয় কতখানি ভয়ঙ্কর হতে পারে ছোট্ট একটি মশা। কারণ প্রাণঘাতি না হলেও ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মত মারাত্বক রোগ ছড়িয়ে রাজধানীবাসির আলোচনার কেন্দ্রে এই মশা। তাই নগরবাসীর কাছে মশা এখন একটি আতঙ্কের নাম।

এই মশা মারতে এখন রাজধানী’র দুই সিটি কর্পোরেশনকে পাঁচটি করে মোট ১০ টি জোনে ভাগ করে চলছে মশক নিধনের কাজ। তবে কাজের চেয়ে লুটপাটই বেশি বলে অভিযোগ কর্মচারীদের।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাড়তি লোকবল দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলে জানালেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের ৩৯৬ জন কর্মী’র পাশাপাশি ১০৮ জন অতিরিক্ত কর্মী মশা নিয়ন্ত্রণের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন

15 + 8 =

Test