রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবীর আনুষ্ঠানিকতা

0

কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবীর আনুষ্ঠানিকতা। উৎসবের শুরুতে শুক্রবার সকালে গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসান বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষ। বস্ত্র দানসহ মন্দিরে মন্দিরে চলে প্রার্থনা।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বর্ষবরণ উৎসব-বৈসাবীর প্রথম দিনকে চাকমারা ফুল বিজু, ত্রিপুরারা হরি বৈষু বলে থাকে। এদিন, উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা চলে কয়েকদিন। নৃ-গোষ্ঠীদের বিশ্বাস গঙ্গাদেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরের দুঃখ গ্লানি মুছে ফেলা হবে এবং নতুন বছরে কল্যাণ বয়ে আনবে। রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানো হয়। এ সময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রসহ ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও রাজবাড়ি ঘাটে চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসান।

পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী এ উৎসব এখন সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। দিন দিন বাড়ছে উৎসবের পরিধি ও আয়োজন।
পার্বত্য চুক্তির পর পাহাড়িরা বেশ স্বাচ্ছন্দে এই উৎসব পালন করতে পারছে বলে জানান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। ফুল বিজু শেষে পালিত হবে মূল বিজু। এদিন পাহাড়িদের ঘরে ঘরে রান্না হবে পাজন তথা বিশেষ সবজি। মারমাদের পানি উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বৈসাবী উৎসব।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন