‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন’ অক্টোবরের উত্থাপন করা হবে

0

দেশের সংসদীয় ইতিহাসে প্রথম বেসরকারি বিল হিসেবে ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন’ ২০১৮ আগামী অক্টোবরের বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। বিলটিকে আইনে পরিণত করতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। জাতীয় সংসদের আইপিডি সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান। এর আগে, দু’বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে এই আইনের চূড়ান্ত খসড়া ডেপুটি স্পিকারের হাতে তুলে দেয় জাতীয় কন্যা শিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম।

চলতি বছর ৬ মার্চ ব্র্যাক পরিচালিত এক গবেষণায় উঠে আসে, গণপরিবহনে যাতায়াতের সময় ৯৪ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়। জানুয়ারি ২০১৭ থেকে গেল ১৩ মাসে গণপরিবহনে ২১ নারী ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তবে সবচে’ বেশী যৌন হয়রানি শিকার হয় ১১ থেকে ১৫ বছরের কন্যাশিশুরা। আর ১০ বছর পূর্ন হওয়ার আগেই ৫ দশমিক একসাত শতাংশ শিশুও এ ধরণের নির্যাতনের মুথোমুখি হয়।

এমন বাস্তবতায় ১৮৬টি বেসরকারি সংস্থার দীর্ঘদিনের চেষ্টায় ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ এর চূড়ান্ত খসড়া তুলে দেয়া হয় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার হাতে। এর আগে আইনটির উদ্দেশ্য ও সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

বেসরকারিভাবে তৈরী হতে যাওয়া আইনটি সংসদীয় ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার।

বৈঠকে আগামী অক্টোবরে মাঝামাঝি জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনে সম্মতি দেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তার।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন