মৌসুম ছাড়াই তরমুজ চাষে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা

0

চুয়াডাঙ্গায় মৌসুম ছাড়াই তরমুজ চাষে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা। দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহও বেড়েছে। চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন হাটে বাজারে বিক্রি হচ্ছে এ তরমুজ। মাত্র ২ মাসের এ আবাদে বিঘা প্রতি উৎপাদন হয় ৭০ থেকে ৮০ মন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় ৩ হাজার বিঘা জমিতে কৃষকরা তরমুজ চাষ করছেন। এরমধ্যে গোল্ডেন ক্রাউন ও ব্লাক প্রিন্স জাতের আবাদ করেছে কৃষকরা। গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজের উপরের রং হলুদ ও ব্লাক প্রিন্স জাতের তরমুজের উপরে রং গাঢ় সবুজ। দুটি জাতের তরমুজের ভেতরের রং গাঢ় লাল ও খেতে বেশ সুস্বাদু। প্রতিটি তরমুজের ওজন ২ থেকে সাড়ে তিন কেজি। এ জাতের তরমুজ মাঁচায় চাষ করতে হয়। বীজ বপণের ৩০ দিনের মাথায় ফুল থেকে ফল আসে। আর ফল ধরার ৩০/৩৫ দিনের মাথায় খাওয়ার উপযোগী হয়। দেশী তরমুজ শীতকালে বপণ করা হয়। দেশি তরমুজ ফুরিয়ে গেলে হাইব্রীড জাতের এই তরমুজ বাজারে আসে।

৭ বছর আগে গ্রীস্মকালীন তরমুজ আবাদ শুরু হয় চুয়াডাঙ্গায়। এ তরমুজের দেশে যেমন চাহিদা রয়েছে, দেশের বাইরে সিংগাপুর ও মালয়েশিয়াতে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এ দুটি দেশে তরমুজ সাধারনত ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানী করে থাকে।

জেলার ৪ উপজেলায় রোজাকে সামনে রেখে গ্রীস্মকালীন তরমুজ ব্যাপকভাবে আবাদ হয়েছে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন