মুক্তিযোদ্ধাদের কোন বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যাবে না

0

মুক্তিযোদ্ধাদের কোন বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যাবে না। এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়সের বিষয়ে ১২ বছর ৬ মাস বাধ্যতামূলক করে সরকারের জারি করা পরিপত্র বেআইনি ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। ১৬ জন মুক্তিযোদ্ধার দায়ের করা ১৫টি রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেয়। এদিকে, এই রায়কে যুগান্তকারি দাবি করে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বীরদের আত্মত্যাগ ও সাহসী সংগ্রামকে অস্বীকার করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।

কিশোর থেকে তরুণ, সব বয়সী মুক্তিযোদ্ধার দুর্বার প্রতিরোধ ও সাহসী আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতা ১৯৭১ এ স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ।

তবে কারা একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে এমন ভাবনা থেকে গেল বছর ১৭ জানুয়ারি এই পরিপত্র জারি করে সরকার। যেখানে জানানো হয়, ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত যাদের নুন্যতম বয়স হবে ১২ বছর ৬ মাস, তারাই মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন। যদিও আগে এই বয়স সীমা ছিল ১৩ বছর।

এমন বাস্তবতায় সরকারের জারি করা ওই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ১৫টি রিট করেন বিভিন্ন সেক্টরে লড়াই করা ১৬ মুক্তিযোদ্ধা। রোববার ওইসব রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় হাইকোর্ট।
সিংক : ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, রিটকারীদের আইনজীবী।

উচ্চ আদালতের এই রায়ের পর নিজেদের অনুভূতি তুলে ধরেন মুক্তিযোদ্ধারা।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে বয়সের ফেরে তালিকা থেকে বাদ যাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বকেয়া ভাতাসহ প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিতে সরকারকে আদেশও দেয় হাইকোর্ট।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন