মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানী দেন

0

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় জামাতে ঈদের নামাজ আদায় শেষে, ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুযায়ী পশু কোরবানী দেন। ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়েই চলছে পশু কোরবানী। তবে কেবল ঈদের সময় নয়, বছর জুড়েই এই চেতনা লালন করে গরীব-দু:খী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই কোরবানীর মূল শিক্ষা।

প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.) নিজ পুত্র হযরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু, পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হযরত ইসমাইলের (আ.) পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়।

সেই থেকে হযরত ইব্রাহিমের (আ.) ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করেই বিশ্বব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখ আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকে।

সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ঈদের জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি দেন। এসময় নিজেদের অনুভূতি তুলে ধরেন তারা।

অন্যদের মতো, এসএ গ্রুপ অব কোম্পানিজের পক্ষ থেকেও দেয়া হয় পশু কোরবানী। ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে, গরীব দুখির সেবায় কাজ করার অঙ্গীকার জানান, দুই পরিচালক।

পশু কোরবানীকে নিয়ে কৗতুহলের শেষ নেই শিশুদের মাঝেও। বড়দের মতো ত্যাগের মানসিকতায় নিজেদের প্রস্তুত করার প্রত্যয় ছিল তাদের কণ্ঠে।

পশু কোরবানীর পর মাংসকে তিন ভাগ করে, একভাগ নিজেদের জন্য রেখে, বাকি দুই ভাগ গরীব মিসকিন এবং আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিলিয়ে দেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন