মধ্যসত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে বিভিন্ন জেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছে না কৃষক

0

মাগুরায় কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান ও গম কেনা শুধুই শুভংকরের ফাঁকি। মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরাত্বের কারণে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান-গম বিক্রি করতে পারছে না কৃষকরা। আর ভৈরবে খোলা আকাশের নিচে স্তুপ করে রাখা হয়েছে লাখো মণ বোরো ধান। আড়তে ক্রেতা নেই। তাই যে কোনো সময় বৃষ্টিতে ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কৃষকদের। এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩শ টাকা লোকসানে প্রতি মণ ধান বিক্রি করছে কৃষকরা। এছাড়া, দিনাজপুরে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।

মাগুরা জেলার চার উপজেলায় এবছর ৩৮ টাকা কেজি দরে ৫ হাজার ৫১৮ মেট্রিক টন চাল মিলারদের কাছ থেকে কেনা হবে। আর কৃষকের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ২৪৫ মেট্রিক টন ধান ও ২৮ টাকা দরে ৫৩২ মেট্রিক টন গম কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অথচ দুর্নীতি, অনিয়ম আর মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরত্মে এ ক্রয় প্রক্রিয়ায় কোন কৃষকই অংশ নিতে পারে না। ফলে সরকারের দেয়া ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

ভৈরবের ৪শ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে ধান। কৃষকদের অভিযোগ রাইস মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে ধানের দর নিম্নমূখী আর বাধ্য হয়েই কম দামে ধান বিক্রি করছে তারা।

এদিকে, রাইস মিল মালিকরা বলছেন কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে বিপাকে পরেছেন তারা। সরকারের চাল আমদানি ও গেলো বছরের ধান মজুত থাকায় বিপাকে পড়েছে তারাও।

তবে বিদেশ থেকে চাল আমদানী বন্ধের পাশাপাশি বিদেশে চাল রপ্তানি করতে পারলে ধানের দাম বাড়বে বলে মনে করেন চেম্বারের এই নেতা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩শ টাকা লোকসানে প্রতি মণ ধান বিক্রি করছে কৃষকরা।

প্রতিবছর লোকসান দিয়ে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক। তাই সরকারি নজরদারির দাবি এই ব্যবসায়ীর।

দিনাজপুরে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও ফসলের ন্যায্য মুল্য না পাওয়া এবং শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।

এই কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে উৎপাদন খরচ কমানো গেলে কিছুটা লাভবান হবে কৃষক।

এদিকে, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানালেন, মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। এতে কৃষক লাভবান হবে বলে আশা করছেন তিনি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন