মধুপুরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকাংশই রয়েছেন দারিদ্রসীমার নীচে

0

টাঙ্গাইলের মধুপুরের পাহাড়ি জনপদে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকাংশই রয়েছেন দারিদ্রসীমার নীচে। ভৌগোলিক কারণেই তাদের কাছে সহজলভ্য নয়- স্বাস্থ্যসেবা। প্রায় ৩৬ বছর আগে বঞ্চিত এসব মানুষের দুর্দশা লাঘবে নিজ দেশের বিলাসী জীবন ছেড়ে ডা: এড্রিক বেকার আমৃত্যু নিয়োজিত ছিলেন চিকিৎসা সেবায়। গরিবের ডাক্তার ভাই নামেই যার পরিচিতি।

মধুপুরের প্রত্যন্ত পাহাড়ি জানপদের ‘কাইলাকুড়ী স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন ডা: এড্রিক বেকার। ২০১৫ সনের ১ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। এরপর ২০১৮ সালে হাসপাতালের হাল ধরতে সুদূর আমেরিকা থেকে ছুটে আসেন ডাক্তার দম্পতি ডা: জেসন ও তার স্ত্রী মেরিন্ডি।

ডা: এড্রিক বেকার মারা যাওয়ার পর হাসপাতালে অনেক সমস্যা দেখা দেয়। পরবর্তীতে এই ডাক্তার দম্পতি হাল ধরায় এখন আবার ভাল অবস্থানে হাসপাতালটি।

আমৃত্যু বেকারের মতোই সাধারণের মানুষের সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেয়ার মানসিকতা সবাইকেই মুগ্ধ করেছে।

১৯৪১ সালে নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনে এড্রিক বেকারের জন্ম। তিনি ওটাগো মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। পরে আরো ডিগ্রী নিয়ে বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৯৭৯ সালে চলে আসেন বাংলাদেশে। দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘কাইলাকড়ী স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্র’। সেখানেই এখন যুক্ত হয়েছেন এই ডাক্তার দম্পতি।

এলাকার মানুষদের ভালোবেসে সেখানেই থেকে যান। একটানা ৩৬ বছর মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে এই হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডা: এড্রিক বেকার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন