ভোমরা স্থলবন্দরে প্রশাসনিক জটিলতা ও অবকাঠামোগত অসুবিধার কারণে গতি নেই বৈদেশিক বাণিজ্যে

0

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে প্রশাসনিক জটিলতা ও অবকাঠামোগত অসুবিধার কারণে গতি নেই বৈদেশিক বাণিজ্যে। এ বন্দর দিয়ে ৭৮ টি পণ্য আমদানির অনুমতি থাকলেও সময়ভেদে ১৯ থেকে ২০টির বেশি পণ্য আমদানি করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। কর্মকর্তা নিয়োগ ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্বিক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে এই বন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে গতি বাড়বে।

১৯৯৬ সালের ১৫ মে ২১টি পন্য নিয়ে শুল্ক স্টেশন হিসেবে ভোমরা স্থল বন্দর যাত্রা শুরু করে। ২০১০ সালে আরও ২৬টি পন্য নতুন করে যুক্ত হয়। এরপর ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভোমরা বন্দরে নতুন ৩১টি পন্য আমদানি রপ্তানির অনুমতি দেয়। কিন্তু অবকাঠামোগত অসুবিধা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৭৮টি পণ্য আমদানির অনুমতি থাকলেও সময় ভেদে ১৯ থেকে ২০টির বেশি পণ্য আমদানি করতে পারছে না বন্দর ব্যবহারকারীরা। রপ্তানির ক্ষেত্রেও রয়েছে একই জটিলতা।

কর্মকর্তা না থাকায় উচ্চ করযুক্ত পণ্য সংরক্ষণ ও হ্যান্ডলিং এর সক্ষমতা এই স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের না থাকায় আমদানিকারকরা ভোমরা বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ব্যাসায়ীরা। সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিশনের নেতারা বলছেন-দেশের অন্যান্য বন্দরের তুলনায় ভোমরা বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেশি আমদানি রপ্তানীর জন্য অবকাঠামোগত অসুবিধা দুর করতে হবে বলে জানিয়েছেন এই রাজস্ব কর্মকর্তা। বন্দরে যে জায়গা রয়েছে তাতে আমদানিকৃত সকল পন্য আনলোড করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এরই মধ্যে বন্দর সম্প্রসারনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দ্রুত সব ধরনের পদক্ষেপ নিলে আমদানি-রপ্তানিতে গতি বাড়বে বলে মনে করেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন