ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে গাইবান্ধায় বাড়িঘরে পানি প্রবেশ শুরু

0

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে গাইবান্ধায় বাড়িঘরে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। এদিকে, জামালপুরে যমুনার পানি বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার এবং বগুড়ায় ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সিরাজগঞ্জে যমুনা ও কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধিও অব্যাহত আছে। এদিকে, এরইমধ্যে অসংখ্য ফসলি জমি ডুবে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধার তিস্তা যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। পাহাড়ীঢল ও টানা বর্ষনে কয়েকদিন ধরে গাইবান্ধার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। এতে বিভিন্ন এলাকায় ডুবে গেছে ফসলি জমি।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও ভারি বর্ষণে জামালপুরে বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে ১৫ হাজার মানুষ।

দ্বিতীয় দফায় সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১৬ সেন্টিসিটার বেড়ে বিপদ সীমার মাত্র ০৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার সাত সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সারিয়াকান্দি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে পানি উঠেছে।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেলেও কিছুটা কমেছে ধরলা ও তিস্তার পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ২১ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও পানি বাড়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় উলিপুরের বেগমগঞ্জ, ডারারপাড় এবং রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।গাইবান্ধার তিস্তা যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। পাহাড়ীঢল ও টানা বর্ষনে কয়েকদিন ধরে গাইবান্ধার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। এতে বিভিন্ন এলাকায় ডুবে গেছে ফসলি জমি।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও ভারি বর্ষণে জামালপুরে বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে ১৫ হাজার মানুষ।

দ্বিতীয় দফায় সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১৬ সেন্টিসিটার বেড়ে বিপদ সীমার মাত্র ০৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার সাত সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সারিয়াকান্দি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে পানি উঠেছে।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেলেও কিছুটা কমেছে ধরলা ও তিস্তার পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ২১ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও পানি বাড়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় উলিপুরের বেগমগঞ্জ, ডারারপাড় এবং রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন