বেগুনী-পাতার ধান নিয়ে উৎসুক কৃষক ও কৃষি বিভাগ

0

কুমিল্লায় বেগুনী-পাতার ধান নিয়ে উৎসুক–কৃষক ও কৃষি বিভাগ। জেলার আদর্শ-সদর-উপজেলা মনাগ্রামের কৃষক–মঞ্জুর হোসেনের জমিতে এই ধান দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসছে কৃষকরা। কৃষি বিভাগ বলছে–ধানের এ জাতটি কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণের আগে গবেষণা প্রয়োজন। বাংলাদেশে কোথাও এমন ধানের বাণিজ্যিক চাষ হয় না বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা।

ধানের শীষ হলদে-সবুজ, কিন্তু পাতা আর কাণ্ডের রঙ বেগুনী। এমন প্রজাতির ধান দেখে অবাক কুমিল্লার কৃষকরা। সদর উপজেলার মনাগ্রামের কৃষক মঞ্জুর হোসেন এই ধান চাষ করে তাক লাগিয়েছেন কৃষি বিভাগকেও। আশপাশের উপজেলা ও গ্রাম থেকে প্রতিদিনই চাষীরা আসছেন, নতুন জাতের এই ধান দেখতে ।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে বীজ সংগ্রহ করে চার শতক জমিতে চাষ করা হয় এই ধান। কম খরচে আর অল্প সময়ে ফলন ভাল হলে গোটাদেশে এ ধান ছড়িয়ে দিতে চান কৃষক মঞ্জুর হোসেন।

দ্রুত ফলন দেয়ায় এই জাতের ধানে ব্লাস্ট রোগ বা পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হয় না। গাছটি শক্ত হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টিতেও হেলে পড়ার সম্ভাবনা কম বলে জানালেন এই মাঠ কর্মকর্তা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই জাতের ধান বর্ডার ক্রপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এর পুষ্টিগুণ নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

ইন্টারনেট থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, বেগুনী পাতার এই ধানের নাম ওরিভা স্যাটিভা বা “ব্ল্যাক মাদ্রাজ”। দু’ হাজার ১১ সালে চীনের নদী উপত্যকায় প্রথম এই ধানের চাষ হয়েছিল।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন