বিশ্বকাপ ট্রফি এখন হাত ছোঁয়া দূরত্বে ক্রোয়েশিয়ার

0

বিশ্বকাপ ট্রফি এখন হাত ছোঁয়া দূরত্বে ক্রোয়েশিয়ার। লুকা মদ্রিচ-ইভান রাকিটিচদের সোনালী প্রজন্মের হাতেই সোনালী ট্রফি দেখতে উন্মুখ দেশটির সমর্থকরা। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপে চূড়ান্ত পর্বে আসার পথটা খুব একটা মসৃণ ছিলো না ক্রোয়েটদের। অথচ বিশ্বমঞ্চে পা রাখার পরই বাজিমাত করে যাচ্ছে ক্রোয়েশিয়া। প্রথমবারের মতো ফাইনাল ওঠা এই দলটি এখন পর্যন্ত অপরাজিত।

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হওয়ার পর সময়টা গেছে মাত্র ২৭ বছর। আর বিশ্ব ফুটবলে ক্রোয়েশিয়ার পথচলার বয়স আরো কম। মাত্র বিশ বছর। ৯৮ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েই চমক দেখায় ক্রোয়েটরা। সেমিফাইনাল থেকে সেবার বিদায় নিতে হয় ফুটবলের নতুন শক্তিকে। সেই আসরে ক্রোয়েশিয়ান তারকা ডেভর সুকার সেরা গোলদাতার পুরস্কারও জিতেন।

পরের যে ক’টি আসরে অংশ নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদেরা। কিন্তু দুই দশক পর আরেকটি রূপকথার গল্প লিখতে যাচ্ছে ডেভর সুকারদের উত্তরসূরীরা। ক্রোয়েশিয়ার এই প্রজন্মকে বলা হচ্ছে সোনালী প্রজন্ম। যেখানে বিশ্বসেরা দুই ক্লাব বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদে খেলা দুই তারকা রয়েছেন। লুকা মদ্রিচ এবং রাকিটিচকে বলা হয় বিশ্ব সেরা দুই মিডফিল্ডারও।

অথচ বিশ্বকাপ শুরুর আগে অনেকের হিসেবে গ্রুপ পর্বের বাধা টপকানোটাও ছিলো ক্রোয়েশিয়ার জন্য কঠিন। বিশ্বকাপ বাছাইয়েও তাদের জন্য সহজ ছিলোনা। প্লে অফ খেলে রাশিয়ার টিকিট কাটতে হয় ক্রোয়েটদের।

গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে নক আউটে উঠে ক্রোয়েশিয়া। তবে নক আউটে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। টাইব্রেকে ডেনমার্ককে হারিয়ে নাম উঠায় শেষ আট। কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় করে স্বাগতিকদের। এই ম্যাচের ফলও নির্ধারিত পেনাল্টি শুট আউটে।

তবে লুকা মদ্রিচদেরকে ক্লান্তি কিছুটা কাবু করেছিলো সেমিফাইনালে। কিন্তু তারপরও হার মানেনি ক্রোয়েট বীররা। হতাশ করেনি দেশের ৪০ লাখ মানুষকেও। সোনালী প্রজন্ম স্বপ্ন দেখছে। স্বপ্ন দেখাচ্ছে সোনালী ট্রফির। কে জানে রূপকথার বাকি গল্পটা হয়তো লেখা হয় যেতে পারে ১৫ জুলাই লুজনিকির সবুজ গালিচায়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন