বিক্রি বেড়েছে যাকাতের টাকায় শাড়ী, লুঙ্গি, থ্রী-পিসের দোকানের

0

বিক্রি বেড়েছে যাকাতের টাকায় শাড়ী, লুঙ্গি, থ্রী-পিসের দোকানের। গরীব-দুঃখীদের মাঝে বিতরণের জন্য, ইসলামপুরের বিভিন্ন দোকানে পাইকারী হারে এসব পণ্য কিনছেন ব্যবসায়ী, স্বচ্ছল ব্যক্তিরা। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের পাশাপাশি, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গরীবদের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্য বলে জানান ক্রেতারা। ২৬০ টাকা থেকে ৬শ’ টাকা দামে শাড়ী থ্রি-পিসের বিক্রি রমজানের মাঝামাঝি থেকে আরো বাড়বে বলে প্রত্যাশা বিক্রেতাদের।

বছরের যেকোনো সময় যাকাত আদায় করা গেলেও, ঈদের সময়টাকেই বেছে নেন বিত্তবানরা। ঈদকে সামনে রেখে– তাই যাকাতের কাপড় কিনতে অনেকেই ছুটছেন ইসলামপুর, গুলিস্থান, বঙ্গবাজার, নিউমার্কেটসহ রাজধানীর সুপার মার্কেটগুলোতে। দোকানগুলোতেও যাকাতের জন্য আলাদা করে কাপড় ওঠানো হয়েছে।

যাকাতের বস্ত্র হিসেবে শাড়ি-লুঙ্গিকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও, লুঙ্গির চেয়ে শাড়ির চাহিদাই বেশি। দোকানগুলোও প্রস্তুতি নিয়েছে সেভাবে। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে অনেকেই যাকাতের কাপড় বিক্রির বাড়তি প্রচারণা চালিয়েছেন। সবচে’ বেশি বিক্রি হচ্ছে শাড়ী। সাজনী প্রিন্ট, বিডি ব্রান্ড, মোহনা প্রিন্ট, অনুসন্ধান, রকি, পাকিজা রত্না এমন হাজারো নামে শাড়ীর দাম ২৬০ থেকে ৬৫০ এর মধ্যে। মোটা ও মিহি সুতার বুননের ওপর দান নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। যাকাতের লুঙ্গির দাম আড়াইশ’ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা অনুসারে ১২ পিস থেকে শুরু করে হাজার পিস লুঙ্গি শাড়ী দিয়ে গরীবদের দুঃখ ভাগাভাগি করতে চান অনেকে। আগামী লাইলাতুল কদর বা ২৭ রমজান পর্যন্ত যাকাতের কাপড়ের প্রচুর বেচাকেনা হয় বলে জানিয়েছেন পাইকারী ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন