বিআরআই-তে যোগ দেয়ায় বাংলাদেশ ভবিষ্যতে নানা বিষয়ে লাভবান হবে

0

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ- বিআরআই-তে যোগ দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগসহ নানা বিষয়ে লাভবান হবে। এমনই আশা পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের। আর দু’দেশের বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রতি চীনের ইতিবাচক মনোভাব কাজে লাগাতে জোর কুটনীতির প্রয়োজন। বিআরআইয়ে েপ্রবেশের ফলে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে। রাজধানীর একটি হোটেলে সিপিডি আয়োজিত বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা এসব বলেন।

চীনের হান রাজবংশ-খ্রিস্টপূর্ব ২০৭ সালে পশ্চিমে যে পথটি ব্যবহার করত, তা ‘সিল্ক রোড’ নামে পরিচিত। যা ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থলপথে পরিণত হয়; যেটি পূর্ব-পশ্চিম-দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ, পূর্ব আফ্রিকার বিপুল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এ প্রেরণার পুঞ্জীভূত রূপটিই ২০১৩ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড -ওবিওআর তথা এক বলয়, এক সড়ক হিসেবে এর নামকরণ করা হলেও ২০১৬ সালের মাঝামাঝি এসে সেন্ট্রাল কম্পাইলেশন অ্যান্ড ট্রান্সলেশন ব্যুরো অব দ্য পিপলস রিপাবলিক অব চায়না জানায়, এটি ওবিওআর এর পরিবর্তে হবে বিআরআই।

বাংলাদেশ কিভাবে বিআরআইতে লাভবান হতে পারে তা নিয়েই সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ- সিপিডি আয়োজন করে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

পররাষ্ট্র সচিব জানালেন, বিআরআইতে যোগ দেয়ার সুফল মিলবে ভবিষ্যত।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক জানান, বাংলদেশে বিনিয়োগে চীন এগিয়ে থাকায়, বিআরআই সফল হলে, আরো অনেক মেগা প্রকল্প আসবে।

চীনা অধ্যাপক বললেন, বিআরআই সফল হলে, কমবে ‍দু’দেশের বাণিজ্য ঘাটতি।

উচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতার প্লাটফর্ম-বিআরআই বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন