বান্দরবানে দিন দিন বাড়ছে আপেলকুলের চাষ

0

বান্দরবানে দিন দিন বাড়ছে আপেলকুলের চাষ। বিশেষ করে চিম্বুক পাহাড় এলাকায় আপেল কুল চাষ হচ্ছে বেশি। জুম চাষ করে আগের মত লাভ না হওয়ায় কৃষকরা ঝুঁকছে আপেল কুলের দিকে।আপেল কুল চাষ করে এরই মধ্যে ভাগ্য বদলেছে অনেকে।

বান্দরবানে চিম্বুক পাহাড়জুড়ে এখন কেবল আপেলকুলের বাগান। আগে সেখানে জুম চাষ হতো। এছাড়া সদর উপজেলা এবং এর আশপাশেও ব্যাপকহারে আপেল কুলের চাষ হচ্ছে। এজন্য খুব বেশি সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে বাগান পরিস্কারের দিকে নজর রাখতে হয়। আর তা হলেই মিলে লাখ টাকার আয়। ২০১৪ সালে চিম্বুক পাহাড়ে আপেলকুলের প্রথম চাষ শুরু করেন তয়ো ম্রো। শুরুতেই আপেল কুল বিক্রি করে ভাল লাভ করেন তিনি। এরপর তিন একর জায়গায় আরও লাগিয়েছেন চারা। এবার ৭০০টি গাছের আপেল কুল বাগান থেকে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার বিক্রি আশা করছেন তিনি।

কেবল তয়ো ম্রো নয়। আপেল কুল চাষের দিকে ঝুঁকেছেন আশপাশের আরও অনেকেই। ফলে পাহাড়ে সনাতন পদ্ধতিতে জুমচাষ বাদ দিয়ে আপেল কুল বাগান করছে চাষীরা।

আপেলকুল চাষে পানি ও সেচের প্রয়োজন না হওয়ায় পাহাড়ে এর ফলন ভাল হয় বলে জানালেন কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

কৃষি বিভাগের মতে, চাষাবাদ পদ্ধতি সহজ হওয়ায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আপেলকুলের চাহিদা বাড়ছে। এ বছর জেলায় ৫৫ হেক্টর জমিতে আপেলকুল এবং ১৬ হেক্টর জমিতে বাউকুল চাষ করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন