বাগেরহাটের চিতলমারীতে গত এক সপ্তায় অব্যাহত রয়েছে মধুমতি নদীর ভাঙন

0

বাগেরহাটের চিতলমারীতে গত এক সপ্তায় অব্যাহত রয়েছে মধুমতি নদীর ভাঙন। তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের আঘাতে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে দোকানপাট, বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি। এরিমধ্যে, মহাসড়কের অন্তত দুই জায়গার অর্ধেকেরও বেশি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ অবস্থায় যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে মহাসড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া গত এক সপ্তাহ ধরে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ কয়েকটি নদীপাড়ের নিম্নাঞ্চলগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে চিতলমারির শৈলদাহ বাজার ও পরাণপুরে মধুমতি নদীর ভাঙন শুরু হয়। গত এক সপ্তায় শৈলদাহ বাজার, খেয়াঘাটসহ তার আশপাশের বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে গেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর রাত থেকে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে পরাণপুরে।এতে আতঙ্কিত মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে সরিয়ে নিচ্ছে। অচিরেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। বর্তমানে ১১টি এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ন। ভাঙন ঠেকাতে বরাদ্দ চেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে জানান, বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।

এদিকে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির পানিতে কুড়িগ্রামে নদ-নদী তীরবর্তী নিচু এলাকার চার হাজার চার’শ ৪০ হেক্টর জমির ফসল ডুবে গেছে। বন্যার পানি নামার পর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষককে আগাম রবি শষ্যসহ বিকল্প নানা ফসল ফলানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান এ কৃষি কর্মকর্তা। ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক কৃষক সরকারি সহযোগিতা পেলে, কিছুটা হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করছেন, স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন