বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

0

ভারতকে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবহার এবং ফেনী নদী থেকে পানি সরবরাহের সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ ৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে। দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর আগে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে, বাংলাদেশ ও ভারতের বহুমাত্রিক সহযোগিতার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর প্রতিবেশী এই দু’দেশের সম্পর্ক বিশ্বের জন্য উদাহরণ বলে জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

দিল্লি সফরের তৃতীয় দিন শনিবার দুপুরে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন হায়দ্রাবাদ হাউজে যান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানান।

কুশল বিনিময়ের পর, সফরসঙ্গীদের নিয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন, দুই শীর্ষ নেতা। দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরে, হায়দ্রাবাদ হাউসের বলরুমে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে ফেনী নদীর সুপেয় পানি, সংস্কৃতি বিনিময়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ ৭টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হয়।

পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ, বাংলাদেশ ভারত প্রফেশনাল স্কিল ডেভলপমেন্ট প্রকল্প এবং ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে বিবেকানন্দ ভবনের উদ্বোধন করেন, দুই প্রধানমন্ত্রী।

প্রকল্প উদ্বোধনের পর বক্তব্য রাখেন দুই সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা, সাইবার সিকিউরিটি, ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের একত্রে কাজ করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

একই মত জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, দু’দেশের সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় রয়েছে।

আগামী বছর মার্চে, বাংলাদেশ সফরে আসার কথা জানান নরেন্দ্র মোদি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন