বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন যেকোন সমস্যা বন্ধুত্ব ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হবে

0

বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন যেকোন সমস্যা– বন্ধুত্ব ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুরে শান্তি নিকেতনে, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাদেশ-ভারতের এই সম্পর্ক বিশ্ববাসীর সামনে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের মডেল হিসেবে গণ্য হবে। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ২০৪১ সাল পর্যন্ত যে উন্নয়ন পরিকল্পনা শেখ হাসিনা নিয়েছেন– তা বাস্তবায়নে ভারতের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।

শুক্রবার দুপুরে ভারতের শান্তি নিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবনের ফলক উন্মোচন করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত বিশ্বভারতীর সবচেয়ে বড় এই ভবনে প্রেক্ষাগৃহ, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসভিত্তিক সংগ্রহশালা, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ের গ্রন্থের সংগ্রহ নিয়ে একটি পাঠাগার রয়েছে।

পরে আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশ ভবন তৈরীর জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। এসময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধ ও ৭৫ পরবর্তী সময়ে ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন, যেকোন সমস্যা বন্ধুত্ব ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করবে দু’দেশ। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ দিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা, দারিদ্র্যের মত অভিন্ন শত্রুকে মোকাবেলায় ভারতের সাথে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত করতে বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১ যেকোন দেশের জন্য অনুকরনীয়। দরিদ্র জনগণের জীবন উন্নত করতে বাংলাদেশ সরকার ও শেখ হাসিনার পদক্ষেপ, ভারতকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এর আগে সকালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে যোগ দেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অনুষ্ঠানে আচার্য্যের ভাষণে– নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ দুটি আলাদা রাষ্ট্র হলেও সংস্কৃতিসহ নানা বিষয়ে এ দুই দেশের অভিন্নতা ও অটুট বন্ধন রয়েছে। তাই অভিন্ন সমস্যা সমাধান ও স্বপ্ন পূরণ করতে একযোগে কাজ করা উচিত।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন