বর্ষায় তীব্র হয়েছে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘনার ভাঙন

0

বর্ষায় তীব্র হয়েছে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘনার ভাঙন। প্রতিদিনই বিলিন হচ্ছে ঘরবাড়ি, বসতভিটা, ফসলী জমি, বাজার, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি নানা স্থাপনা। চরম আতঙ্কে দিশেহারা হাজার হাজার মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবিত মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধের পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে নোয়াখালী জেলার দক্ষিণাঞ্চলের।

কৃষি ও মৎস্য সম্পদের অফুরান ভান্ডার নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। নদীর তীব্র স্রোত আর জোয়ারের পানিতে প্রতি বছর বিলীন হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম, হাট-বাজার, চলাচলের সড়ক, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, বেড়ি বাঁধসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা।

শুধু হাতিয়াই নয়, ভাঙনের কবলে পড়ে বিলিন হচ্ছে জেলার সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমি। এতে নদীগর্ভে বসতভিটে হারিয়ে সর্বহারা হয়ে যাচ্ছে তিন উপজেলার কয়েক হাজার পরিবার।

সরকারের কাছে বসতভিটা ও সম্পদ রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ ও সবুজ বেস্টনি গড়ে তোলার আবেদন জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ও ভাঙন কবলিত এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য বলছে, হাতিয়ার নলচিরা, সুখচর, নিঝুমদ্বীপ, চর ঈশ্বর, বয়ারচর, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর, চরএলাহীসহ প্রায় ৮৫ কিলোমিটার জুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

নদী ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবিত সুপার ডাইক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবী ভুক্তভোগি ও সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন