বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১০ টি স্থান ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

0

অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১০ টি স্থান ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার ১২ টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া সুনামগঞ্জের, দিনাজপুর,গাইবান্ধা, নেত্রকোনা, কুড়িগ্রামে বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ রক্ষা বাঁধের ১০ পয়েন্টের ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। প্রবল স্রোত থাকায় ভাঙ্গন ক্রমেই বড় হচ্ছে। এতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার ১২ টি গ্রাম তলিয়ে গেছে পানিতে। শতাধিক ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের, পুকুর ও রাস্তা-ঘাটও। নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

এদিকে, রোববার থেকে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও দোয়ারাবাজারসহ ৫টি উপজেলার দেখা দিয়েছে বন্যা।

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রামের ১০ হাজার মানুষ। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ।

দিনাজপুরের আত্রাই,পূণভবা,ছোট যমুনা সহ কয়েকটি নদীর আশপাশের এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। এতে বিরল,চিরিরবন্দর ,কাহারোলসহ কয়েকটি উপজেলার আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

গেল ২৪ ঘন্টায় গাইবান্ধার নদ-নদীর মধ্যে ব্রহ্মপুত্রের নদের পানি না বাড়লেও ঘাঘট নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। এতে চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

নেত্রকোনা জেলাতেও আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এদিকে সোমেশ্বরী, কংস ও নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন