বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে থ্রিজি থেকে ফোর-জির যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

0

বেতার তরঙ্গের নিরপেক্ষতা ও ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের দূর্বলতা দূর করতে না পারলে ফোর- জির কাঙ্খিত সেবা পাওয়া যাবেনা । এমন শংকার কথা জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক নূরুল কবির জানিয়েছেন, বেশি দাম হওয়ায় গ্রাহকদের পর্যাপ্ত সুবিধা দেয়ার মতো যথেষ্ট তরঙ্গ কিনতে পারছেন না মোবাইল ফোন অপারেটররা। সেই সাথে মোবাইলে থ্রিজি নেটওয়ার্ক যথেষ্ট শক্তিশালী না হওয়া সত্ত্বেও ফোর-জির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে খুব বেশি উচ্ছসিত নন সাধারণ গ্রাহকরা। বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে থ্রিজি থেকে ফোর-জির যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরকে এরিমধ্যে গ্রাহকদের ফোর-জি সেবার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

কিন্তু বিদ্যমান থ্রিজি ব্যবহারের তিক্ত অভিজ্ঞতায়, খুব বেশি উচ্ছসিত নন সাধারণ গ্রাহকরা। তাই ফোর-জিতে, বাড়তি সুবিধা পাওয়া নিয়ে থেকেই যাচ্ছে সংশয়। বিটিআরসি ৪৬ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে তুললেও, তার বড় একটি অংশ অবিক্রিত থেকে যায়, বেশি দামের কারণে। ফলে সীমিত তরঙ্গের মাধ্যমেই ফোর-জি সুবিধা দিতে হবে অপারেটরদের। সেই সাথে আছে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের দূর্বলতা।

এছাড়া দেশে ফোর-জি ব্যবহারে উপযোগী মাত্র ১০ শতাংশ হ্যান্ডসেট আছে। সেক্ষেত্রে হ্যান্ডসেট আমদানিতে ভ্যাট না কমালে যথাযথ সুবিধা পাবেন না গ্রাহকরা। ফোর-জি চালু হলেও, এর গতি কত এমবিপিপিএস হবে– সেবিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন গ্রাহকরা। তবে ২০ এমবিপিএসের নিচে থাকবে বলে ধারণা অপারেটরদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন