প্রিয়া সাহার দেয়া বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল

0

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমদের পর্যবেক্ষণ, মিথ্যা তথ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে প্রিয়া সাহার দেয়া বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল। কারণ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য। অমার্জনীয় এই অপরাধের দৃষ্টান্ত স্থাপনে প্রিয়া সাহাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি। আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রিয়া সাহার বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উস্কানিমূলক। এই বক্তব্যের উদ্দেশ্য তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। এরপরই রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। কিন্তু এসব পণ্য বিদেশে রপ্তানিতে দেশের ভাবমূর্তির প্রশ্নটি বেশ গুরুত্বর্পূণ।

কিন্তু বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা মিথ্যে ও মনগড়া অভিযোগ করায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

বিভ্রান্তিমূলক ওই বক্তব্যের কারণে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার পরামর্শ দেন সাবেক আইনমন্ত্রী। বৈদেশিক বাণিজ্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলেও মনে করেন তিনি।

এদিকে রাজধানীতে আলাদা অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। বিভ্রান্তিমূলক ওই বক্তব্যের নেপথ্য কারিগরদের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

আইনজীবীরা জানান, ফৌজাদারি দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ব্যক্তি উচ্চারিত বা লিখিত উক্তি, কিংবা কোন চিহ্ন বা প্রতীকের সাহায্যে কিংবা অন্য কোনোভাবে বাংলাদেশ বা আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে কিংবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে তবে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ বলিয়া গণ্য করা হইবে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন