প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাটিয়ে গোপালগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন

0

প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাটিয়ে গোপালগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ সময় দেখা দিয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের তীব্র সংকট। চড়া দামেও মিলছে না শ্রমিক। এদিকে, যশোরে লবনাক্ত পানিতে চারা রোপন করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম ও শেরপুরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষক। সরকারিভাবে ধান ক্রয় শুরু হলেই দাম বাড়ার আশ্বাস কৃষি বিভাগের।

গোপালগঞ্জে এ বছর ৭৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। তবে এ অঞ্চলে রয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের তীব্র সংকট। অন্যদিকে, উৎপাদন খরচ বাড়ায় ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়েও সংশয়ে রয়েছে কৃষক। এক মন ধান বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ৭শ’ টাকায়। কম দামে ধান বিক্রির কথা স্বীকার করলেন কৃষি কর্মকর্তা। যশোরের অভয়নগর উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের গয়ার বিলে বিআরডিসির সেচের আওতায় চলতি মৌসুমে দেড়’শ একর জমিতে কৃষকরা বোরো চাষ করে।তবে লবনাক্ত পানির কারণে রোপনকৃত ধানের চারা নষ্ট হয়ে যায়।

কৃষি বিভাগ বলছে, লবনাক্ত পানির কারণে ২০ একর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে, বাকি জমির ফলন সন্তোষজনক। কুড়িগ্রামে কিছু জমিতে পোকা-মাকড়ের আক্রমন হলেও, এবার বোরোর ভালো ফলন হয়েছে। তবে এ ধান বিক্রি করে খরচই তুলতে পারছে না কৃষক।সরকারীভাবে ধান ক্রয় শুরু হলে দাম কিছুটা বাড়বে, জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা।

শেরপুরে ১ মন ধানের পেছনে ৭থেকে ৮শ’ টাকা উৎপাদন খরচের পর বিক্রি করতে হচ্ছে ৫থেকে ৬শ’ টাকায়। এই দরপতনের দ্রুত সমাধানের দাবি কৃষকদের। অন্যদিকে, বোরোর পরিবর্তে কম খরচে আউশ ও ভুট্টাচাষের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। এদিকে, সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের কার্যক্রম শুরু হলেই, দাম বাড়ার আশ্বাস দিলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। কোন ধরণের অনিয়ম ছাড়াই সরকারিভাবে ধান বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য পাবে কৃষকরা, এমনটিই প্রত্যাশা সবার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন