প্রবীণদের কল্যান ও অধিকার সুনিশ্চিতে আলাদা মন্ত্রণালয় করার দাবি

0

প্রবীণদের কল্যান ও অধিকার সুনিশ্চিত করতে আলাদা মন্ত্রণালয় করার দাবি করেছেন প্রবীন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা মনে করেন, প্রবীনদের সুরক্ষার স্বার্থে করা ‘প্রবীণ নীতিসহ অন্যান্য আইনে দুর্বলতাসহ বাস্তবায়নে আন্তরিকতা ও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি প্রবীণ বা সিনিয়র সিটিজেন রয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ প্রবীণদের সংখ্যা হবে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ। আর ২০৫০ সালে বাংলাদেশে শিশুর চেয়ে প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা এক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় সাড়ে ৪ কোটিতে দাঁড়াবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত এক আলোচনায় বক্তারা বলেন, এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে বা অবমূল্যায়ন করে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতীয় নীতিমালা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি প্রবীণদের জন্য আলাদা মন্ত্রনালয়ের দাবি জানান তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে , একক পরিবার বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধাশ্রমগুলো ক্রমশ ব্যস্ত সমাজের অন্যতম অংশে পরিনত হচ্ছে। তাই বৃদ্ধাশ্রমগুলোকে ইতিবাচকভাবে গড়ে তোলার উপর জোর দেন তারা।

ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রবীণদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিতে হবে।

প্রবীণদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানদের একসাথে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, তরুণদেরকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন