প্রবাসে ছোট-বড় কোনো কাজেই দ্বিধা নেই

0

দেশে থাকলে যে সব কাজ ছোট মনে হয়, প্রবাসে এসে সেই কাজেও নিজেকে মানিয়ে নেন প্রবাসী শ্রমিকরা। অনেকে দেশে অলসতায় দিন কাটালেও পরদেশে কঠোর পরিশ্রম করেন। প্রবাসে ছোট-বড় কোনো কাজেই দ্বিধা নেই তাদের। ১০ থেকে ১৪ ঘন্টা বা তার চেয়েও বেশি সময় হাড়ভাঙা, ঘামঝরা শ্রম দেন স্বপ্ন পুরণের আশায়। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমের এই টাকাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখছে।

পবিত্রভূমি মক্কার কাছেই তায়েফকে বলা হলে সৌদি আরবের শষ্য ভাণ্ডার। সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ৬১৬৫ ফুট উঁচুতে এই শহরটি। এখানকার আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ হওয়ায় বৃষ্টিও হয়। তাই কৃষি কাজের জন্য উপযোগি। শাকসবজি ও ফল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এই তায়েফ।

আলহাদা পাহাড়ের ঢাল বেয়ে তায়েফের রিং রোডটিও এক অসাধারণ কীর্তি। পর্বতের ভাঁজ ঘেঁষে আঁকা বাকা এ পথটি বর্তমানে চারলাইনে উন্নীত হয়েছে। এখানে আছে প্রচুর বানর, অনেকে দেখতে আসে।

কাজের তাগিদে সৌদি আরবে আসা বাংলাদেশীদের অনেকে এই তায়েফে এসেছেন ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে। জড়িয়েছেন কৃষিকাজে।

এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশীর কৃষিখামার রয়েছে। এসব খামারে উৎপন্ন হচ্ছে শাক সবজির পাশাপাশি, নানা জাতের ফল।

বর্তমানে সৌদি আরবে চলছে গ্রীষ্মের ছুটি। তাই জেদ্দা, মক্কা, মদিনাসহ বিভিন্ন শহর থেকে অনেকে সময় কাটাতে বন্ধু-বান্ধবসহ সপরিবারে ছুটে আসেন তায়েফ শহরে।

প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমে করে টাকা পাঠাচ্ছেন দেশে। আর তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সই সচল রাখছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা।

শেয়ার করুন।