নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ভেড়ার নতুন সম্ভাবনাময় খামার গড়ে উঠেছে

0

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ভেড়ার নতুন সম্ভাবনাময় খামার গড়ে উঠেছে। অল্প পুঁজি ও শ্রমে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক এই ভেড়া পালনের পুরো প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত গ্রামীণ নারীরা। বাড়ির অন্য কাজের পাশাপাশি ভেড়া পালন করে তারা স্বাবলম্বী হচ্ছে। এতে অভাবের সংসারে ফিরছে স্বচ্ছলতা।

অন্য প্রাণির চেয়ে ভেড়া পালন সহজ ও অধিক লাভজনক। দেশের যে কোন অঞ্চলের তুলনায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আবহাওয়া ভেড়া পালনের উপযোগী। কম পুঁজি ও শ্রমের কারণে এখানে ক্রমেই বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠছে ভেড়ার নতুন নতুন খামার।

গবাদি পশুর মধ্যে ভেড়ার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং বাচ্চা মৃত্যুর হার কম। আবার উৎপাদন হার গরু, ছাগল ও মহিষের চেয়ে অনেক বেশি। একটি স্ত্রী ভেড়া বছরে ২ বার এবং প্রতিবারে ২ থেকে ৩টি করে বাচ্চা জন্ম দেয়। অনেকে শখ করে চার/পাঁচটি ভেড়া দিয়ে শুরু করলেও, দুই বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে ৩০টিরও বেশি হয়। মাচা পদ্ধতিতে লানন-পালন করার কারনে এদের বাসস্থান খরচও কম। তাছাড় পালন অত্যন্ত সহজ।

সুবর্ণচরের গ্রামগুলোতে এখন বাণিজ্যিকভাবে ভেড়া পালন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় স্বামীর পাশাপাশি স্ত্রীরাও ভেড়া পালনের মধ্যদিয়ে পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে অবদান রাখছেন।

সরকারি সহযোগীতা না পেলেও সাগরিকা নামের একটি স্থানীয় উন্নয়ণ সংগঠন ভেড়া পালনে খামারীদের প্রশিক্ষণ ও ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, ভেড়া পালনের জন্য ব্যাপক সম্ভাবনাময় নোয়াখালী। আর সুবর্ণচর হচ্ছে জেলার মধ্যে সবচে উপযোগী।

সরকারী সহযোগীতা পেলে ভেড়া পালনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে আরো বড় অবদান রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন