নোয়াখালীর উপকূলীয় চরাঞ্চলে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট

0

নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় চরাঞ্চলে দিনদিন দেখা দিচ্ছে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট। শুষ্ক মৌসুমে ভু-গর্ভের পানি নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ ও পুকুর জলাশয়ে পানি থাকে না। ফলে এসব অঞ্চলের মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভোগেন। এসময় দেখা দেয় নানা রোগের প্রাদুর্ভাব। তাই সংরক্ষণ করা হচ্ছে বৃষ্টির পানি।

নোয়াখারীর সুবর্ণচর, কোম্পানিগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার চরাঞ্চলগুলোতে ভূ-গর্ভের পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। আবাসস্থল গড়ে তুলতে পুকুর, দীঘি, ডোবা ভরাট করা হচ্ছে। এতে সংকট আরো প্রকট হচ্ছে। তাই বিশেষ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে বৃষ্টির পানি। আর এই পানি খাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

নিরাপদ পানির সংকট মোকাবেলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণে জেলার চরাঞ্চলে নিরাপদ ও সুপেয় পানি নিশ্চিত করা সম্ভব বলছেন উন্নয়ন বিশ্লেষকরা।

ডিপটিউবওয়েলের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পানির হাউজ স্থাপন করা সম্ভব। ৩২ হাজার লিটার পানি ধারণ ক্ষমতার একটি হাউজ নির্মাণে খরচ হয় মাত্র ২৭ হাজার টাকা।

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতি অবলম্বন করা হলে ভূগর্ভের পানি আবারও আগের জায়গায় ফিরবে। তবে গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন