নোয়াখালীতে দিনদিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে বায়োগ্যাস বা নবায়ন যোগ্য জ্বালানির

0

নোয়াখালীতে দিনদিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে বায়োগ্যাস বা নবায়ন যোগ্য জ্বালানির। প্রত্যন্ত গ্রামেও জ্বলছে গ্যাসের চুলা, বিদ্যুতের আলো আর পানির পাম্প। সরকারের গ্রামকে শহরে রূপান্তরের উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়েছে, সম্প্রতি আবিষ্কার করা ভুট্টা গাছ থেকে নবায়নযোগ্য এই জ্বালানি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই নতুন প্রযুক্তি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আর আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়ন যোগ্য শক্তি হতে পারে সমাধান। আর বায়োগ্যাস উৎপাদনে প্রয়োজন রান্নাঘরের বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য, হাটবাজারের বর্জ্য, হাস-মুরগীর বিষ্ঠা। কিন্তু এসব বর্জ্যের মধ্যে ভুট্টা গাছের বর্জ্যেই সবচে বেশি মিথেন গ্যাস রয়েছে। নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে দীর্ঘদিন গবেষণা করে এ বিষয়ে সফল হয়েছেন আব্দুল গোফরান।

যেকোনো জৈব পদার্থ বায়ূশূন্য অবস্থা পচে উৎপাদন করে বায়োগ্যাস। পাশাপাশি মারা যায় ক্ষতিকর জীবানু। বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কম, পরিবেশ বান্ধব ও স্বাস্থ্য সম্মত হওয়ায় ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে এই প্রযুক্তি। ২০২০ সালের মধ্যে সরকার ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করায়, দেয়া হচ্ছে নানা প্রনোদনা। তাই বায়োগ্যাসকে বাণিজ্যিককরণে শিগগির গাইড লাইন তৈরি করা হবে বলে জানালেন এই দুই কর্মকর্তা। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ১৫ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট রয়েছে। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশ জুড়ে প্রায় ৪০ লাখ বায়োগ্যাস প্লান্ট তৈরি করা সম্ভব।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন