নিম্নমানের রেণু, ভাইরাস ও তীব্র তাপদাহের কারণে মারা যাচ্ছে ঘেরের বাগদা চিংড়ি

0

নিম্নমানের রেণু, ভাইরাস ও তীব্র তাপদাহের কারণে মারা যাচ্ছে ঘেরের বাগদা চিংড়ি। সাতক্ষীরার প্রায় প্রতিটি চিংড়ি ঘেরে এ অবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় মাথায় হাত উঠেছে চিংড়ি চাষীদের। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামিতে চিংড়ি চাষের আগ্রহ হারাবেন চিংড়ি চাষীরা। তবে ভাইরাসের পাশাপাশি তীব্র তাবদাহে মাছ মারা যাচ্ছে বলে অভিমত মৎস্য কর্মকর্তাদের।

সরকারি হিসেবে সাতক্ষীরায় জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে ৫৫ হাজার ১২২টি ঘের রয়েছে। জেলায় এবছর ৬৬ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। গত বছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৬ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ছিল। এবং উৎপাদনও হয়েছে একই পরিমানে। সরবরাহকৃত রেনু মানসম্মত না হওয়ায় ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে বাগদা। ঘেরে ছাড়ার পর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে। এতে ঋণ শোধ করতে না পারার আশংকায় পড়েছেন মৎস্য চাষিরা।

সরবরাহকৃত রেনু মানসম্মত না হওয়ায় বাগদা চিংড়ি ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানালেন এই ঘের ব্যবসায়ী।

বাববার মাছ মারা যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ঘুরে দাঁড়াতে হলে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজ স্বর্তে ঋণ দেয়ার কথা বললেন চিংড়ি ঘের ব্যবসায়ী সমিতির এই নেতা।

ঘেরে যে পরিমান পানি থাকার কথা, তা না থাকার কারণে পানি গরম ও ভাইরাসে বাগদা চিংড়ি মারা যাচ্ছে বলে জানালেন মৎস্য কর্মকর্তা।

সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ী নির্ভর সাতক্ষীরার অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে চাষীদের মধ্যে সহজ স্বর্তে ঋণ ও সচেতনতা সৃষ্টির ওপর জোর দেয়ার তাগিদ সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন