নিউজিল্যান্ডে অধরা জয়ের অপেক্ষা আরো বাড়লো বাংলাদেশের

0

নিউজিল্যান্ডে অধরা জয়ের অপেক্ষা আরো বাড়লো বাংলাদেশের। নেপিয়ারে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ সব উইকেট হারিয়ে ২৩২ রান তুলে। মার্টিন গাপটিলের সেঞ্চুরিতে ৩৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছায় স্বাগতিকরা।

সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই বাংলাদেশ চমক দেখাবে এমন কথা ম্যাচ প্রিভিউতে বলেছিলেন হেড কোচ স্টিভ রোডস। সেই চমক আর দেয়া হলো কই। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা পুরনো গল্প নতুনভাবে লিখলো। নিউজিল্যান্ডে বিরুদ্ধ কন্ডিশনে প্রস্তুতির ঘাটতি আরো বেকায়দায় ফেললো তামিম-সৌম্যদের। দুই ওপেনার তামিম-লিটন মিলে মোটে করলেন ৬ রান।

সৌম্য খেললেন নিজস্ব স্টাইলে। রান তুললেন তেড়েফুড়ে। কিন্তু তাও ৩০’র বেশি করতে পারলেননা। ভরসার প্রতিক হতে পারেননি মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ। দুজনই প্রস্তুতি ম্যাচে পেয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু মূল পরীক্ষাতে দলকে ফেলে দেন আরো বিপদে। মুশফিক ৫ আর মাহমুদুল্লাহ করেন ১৩ রান।

অনেক সমালোচনা মাথায় নিয়ে দলে ফেরা সাব্বির সাতে নেমে দিতে পারলেননা আস্থার প্রতিদান। আনলাকি ১৩ই শেষ সাব্বির। দল তখন চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে। স্কোর বোর্ডে বাংলাদেশ তখন ৬ উইকেট ৯৪। পাঁচে নামা মিথুনকে কিছুটা সঙ্গ দিলেন মিরাজ। সেটাও অল্প সময়ের। তবে এ দিন পুরো দস্তর ব্যাটসম্যান হয়ে উঠলেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিন। তাতে কিছুটা মানও বাচে। অস্টম উইকেট জুটিতে মিথুন-সাইফুদ্দিন মিলে করলেন ৮৪ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপও।

তারপরও আড়াইশো ছুতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৩২ রানের পুজিটা হয়ে থাকলো সান্তনার স্কোর। মিথুন ৬২ ও সাইফুদ্দিন করেন ৪১ রান।
ছোট লক্ষ্যেও তাড়াহুড়া দেখাননি নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার। মাথা ঠান্ডা রেখে কিভাবে ব্যাটিং করতে হয় তা দেখিয়ে দেন মার্টিন গাপটিল। দুই ওপেনার মিলে গড়ে দেন জয়ের ভীত। নিকোলসকে ৫৩ তে থামিয়ে এই জুটির ১০৩ রানের পার্টনারশিপ ভাঙ্গেন মিরাজ।
ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি তুলে নেন গাপটিল। শুধু সেঞ্চুরি নয়, দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। অপরাজিত থাকেন ১১৭ রানে।
অধরা জয়ের খোঁজে বাংলাদেশ এবার নেপিয়ার থেকে যাবে ক্রাইস্টচার্চে। যেখানে হয়তো এর চেয়েও কঠিন পরীক্ষা দেয়া লাগতে পারে মাশরাফিদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন