নিঃশব্দে নিরবে

0

এসএটিভি ঈদ উল ফিতর ২০১৮ উপলক্ষে
বিশেষ একক নাটক ‘নিঃশব্দে নিরবে’

অভিনয়: ইমন, তানিম সোবা

পরিচালনা: সাদেক সিদ্দিকী

কাহিনী সংক্ষেপ:
ইভানকে নিয়ে তার বিধবা মা ইলা বেগম অত্যন্ত চিন্তিত। কারণ ইভান বই ছাড়া কিছু বোঝে না। একমাত্র ছেলের এই বই প্রীতি,ইলা বেগমের মোটেও ভাল লাগে না। একমাত্র ছেলের এই ঘর কুনো স্বভাব কি করে দূর করা যায় সেটাই তার একমাত্র চিন্তার বিষয়। তিনি চিন্তা করেন, ইভানকে বিয়ে দেবেন। কিন্তু একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করতেও তিনি চান না। কি করবেন এই ছেলেকে নিয়ে ? ইভান অসামাজিক এবং বাস্তবতার সাথে খাপ খাওয়াতে অনেকটাই অপারগ। তিনতলা বাড়ীর নিচতলায় থাকে ইভান ও তার মা। উপরের তলা গুলোতে দুই পরিবার থাকে। এক পরিবারে মা রাহেলা ও দুই মেয়ে রিনি,রিমা অন্য পরিবারে আছে বাবা মান্নান সাহেব ও তার মেয়ে মারিয়া। মারিয়া ও রিনি সমবয়সী। রিমি তাদের থেকে দুই বছরের ছোট। তবু এই তিন তন্বীর মধ্যে প্রচন্ড বন্ধুত্ব। ইভানকে প্রেমে ফেলতে রিনি ও রিমার মধ্যে প্রচন্ড প্রতিযোগীতা। কিন্তু মারিয়া এ ব্যাপারে একবারেই নিরুত্তাপ। সে ইভানের মত বই পাগল ও অসামাজিক ছেলেকে একেবারেই পছন্দ করে না।
ইভান একদিন রাতে তার জানালার পাশে নুপুরের শব্দ পায়। মা ইলা বেগমকে জিজ্ঞেস করে। তাদের উপরের ফ্ল্যাট গুলোতে কেউ নাচ শেখে কি না। ইলা বেগম জানান কেউ নাচ শেখে না। রিনি থিয়েটার করে আর রিমা গান শেখে। ইভান চিন্তিত। প্রায় প্রতিদিন রাতেই সে নুপুরের শব্দ শুনতে পায়। নুপুরের শব্দটার প্রতি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে,যে রাতে নুপুরের শব্দ না শুনলে তার ভাল লাগে না। কয়েকদিন চেষ্টা করেও সে নুপুরের শব্দের উৎস খুঁজে পায় না। পরে একদিন সে পরীর মত একটি মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হয়। ইলা বেগম এটা জানতে পেরে,বিষয়টি নিয়ে মান্নান সাহেব ও রাহেলা বেগমের সাথে আলোচনা করে। তারা পরামর্শ দেয়,মানসিক রোগের ডাক্তার দেখাতে। মানসিক ডাক্তারের কাছে নিয়েও কোন লাভ হয় না। ইভান পরীর জন্য প্রতি রাতে অপেক্ষা করে। পরীর দেখা পেলে কথা বলে। পরী বলে,আমি আসি কথা বলতে আর তুমি বই নিয়ে পড়ে থাকো। এটা আমার ভাল লাগে না। তুমি বই পড়া বাদ দিলে আমাকে দিনেও দেখতে পাবে। ইভান বই পড়া বাদ দিয়ে পরীর জন্য দিনেও অপেক্ষা করে। দিনেও সে পরীকে দেখতে পায়। সে পরীর প্রেমে পড়ে যায়। এভাবে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনী…………………

এসএ টেলিভিশনে প্রচার ঈদের ৬ষ্ঠ দিন রাত ৮.৫০ মিনিটে

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন