নারকীয় ঘটনার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে জড়িতদের উচ্চ আদালতে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে

0

২১ আগস্ট নৃশংস গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামীদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের জন্য আইন ও স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম। আর এই মামলার পেপারবুক তৈরির পরপরই হাইকোর্টে শুনানী শুরু হবে বলে জানান তিনি। আসামী পক্ষের আইনজীবী বলছেন, উচ্চ আদালত প্রকৃত অপরাধীকে খুজে বের করে শাস্তির আওতায় আনবে। তারেক জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালায় হরকাতুল জিহাদের একদল জঙ্গি, যা ছিল ছয় বছর ধরে এই জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলা ও শেখ হাসিনাকে হত্যার ধারাবাহিক চেষ্টার এক চূড়ান্ত রূপ। হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক’শ নেতা-কর্মী।

ওই হামলার ঘটনায় দুইটি মামলা হয়। একটি হত্যা মামলা এবং একটি বিস্ফোরক আইনের মামলা। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত থাকার দায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরিসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

রায়ের পর থেকেই অসন্তোষ জানিয়ে আসছে আসামী পক্ষের আইনজীবিরা। আপিলে সুষ্ঠু বিচার চান তারা।

অ্যাটর্নী জেনারেল বলেন, আলোচিত এ মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন