নভেম্বরে জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে

0

সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের দেনা শোধ না করলে, আগামী নভেম্বরে জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ব সংস্থাটির মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরাস।

এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরাস বলেন, ঝুঁকির মুখে থাকা বিশ্ব সংস্থাটি চলতি মাসে চরম অর্থ সংকটে পড়বে। তহবিলে যে পরিমাণ অর্থ আছে তা দিয়ে নভেম্বরে বেতন দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

চলতি অক্টোবরেই শেষ হয়ে যেতে পারে আমাদের সব তহবিল। কর্মীদের বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘকে এখন এক অস্থায়ী ও বিকল্প পন্থা গ্রহণ করতে হবে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থায়নে মোট বাৎসরিক বাজেটের মাত্র ৭০ শতাংশই পূরণ সম্ভব হয়।

তহবিল সঙ্কটের কারণে জানুয়ারি থেকেই খরচ কমানো শুরু করে জাতিসংঘ। বিষয়টি স্মরণ করিয়ে গুতেরেস বলেন, তা না করলে সেপ্টেম্বরে সাধারণ অধিবেশনের খরচ সামলানো মুশকিল হতো।

গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঘাটতি হয়েছে প্রায় ২৩ কোটি ডলার। যে কারণে চলতি অক্টোবরের শেষদিকে আমাদের অর্থ সরবরাহ পুরোপুরি থমকে যেতে পারে।

জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় অর্থদাতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বাজেটের ২২ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়ার কথা।

কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ওয়াশিংটনকে জাতিসংঘের খরচের একটি বড় অংশ মেটাতে হয় যা খুবই পক্ষপাতদুষ্ট। একারণে তিনি বিশ্ব সংস্থাটির সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জাতিসংঘের আগের বাজেট ৩৮১ মিলিয়ন ডলার এবং চলতি অর্থবছরে ৬৭৪ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে। বারবার অনুরোধের পরও যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের পাওনা মেটানোর বিষয়ে কোনো সাড়া দিচ্ছে না।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন