নজরদারির অভাবে সরানো সাতশো পরিবারের বেশিরভাগই ফিরেছে পাহাড়ের পাদদেশে

0

চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সরিয়ে দেয়া সাতশো পরিবারের বেশিরভাগই ফিরে এসেছে। বর্ষা মৌসুমের শেষ দিকে প্রশাসনের তৎপরতা কমে আসার সুযোগে ফের ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে পাহাড়। বসবাসকারীরা বলছেন, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করায় বাধ্য হয়েই এই মৃত্যুকুপে ফিরে এসেছেন তারা। নগরবিদরা বলছেন, প্রভাবশালীদের কারনেই উচ্ছেদ অভিযান বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আর জেলা প্রশাসক বলছেন, পাহাড়ে বসবাসকারিদের অধিকাংশই চট্টগ্রামের বাইরের বাসিন্দা, তাই আইনি জটিলতায় পূনর্বাসন সম্ভব নয়।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এভাবেই বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপুর্ণ ভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রামের ১৭টি পাহাড়ে অতি ঝুঁকিপুর্ণভাবে বসবাসকারি ৮৩৫টি পরিবারের মধ্যে সাতশোটি পরিবারকেই সরিয়ে দেয় তারা।

সরিয়ে দেয়া পাহাড়গুলো দখল হয়েছে আবার। বসবাসকারীরাও ফিরে এসেছে কয়েকদিনের মধ্যেই। তাদের দাবি, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করায়, এই মৃত্যুকুপে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।

জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া সরকারিভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ নেই; জানালেন জেলা প্রশাসক।

আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড় দখলদাররা সমাজের প্রভাবশালী; তবে বসবাসকারীরা অধিকাংশই ছিন্নমুল মানুষ। জীবিকার সন্ধানে শহরে এসে কম টাকায় মাথা গোজার ঠাঁই নিতে মৃত্যুকুপে আশ্রয় নেন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন